অলসতা কি?

7 total views, 2 views today

যতদিন যাচ্ছে ততই যেন অলস হয়ে যাচ্ছি, না ভালো লাগে পড়তে, না ভালো লাগে খেলতে। সারাদিন শুধু এই মোবাইল নিয়ে শুয়ে শুয়ে দিন কাটে । কিন্তু কিবা করবো , বদলাতে তো চাই, কিন্তু কোনো উপায় খুজে পাচ্ছি না ।

যদি আপনার সমস্যাটা এই একই হয়, তাহলে আজকের পোস্টটি আপনার জন্য । আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো । আশা করি খুব সহজেই আপনি আপনার সমাধান পেয়ে যাবেন ।

 

এই পোস্টে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো-

অলসতা আসলে কি? এটা কি মস্তিষ্কের কোনো ছলনা, নাকি এটা কোনো জীনগত ব্যাপার ।

অলসতা কী?

চিন্তা করুনতো আগেরকার মানুষের কথা । যখন তারা জঙ্গলে বসবাস করত, তারা জানত না পরের খাবারটা ঠিক কখন পাবেন বা ঠিক কখন কোন জন্তু জানোয়ার তার উপর হামলা করবে । তাই তারা অলসতাকে কাজে লাগিয়ে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতেন, যাতে পরে দরকারের সময় তাদের প্রয়োজন পরে । অনেকেই মনে করে অলসতা জিনিসতা তাদের থেকেই চলে এসেছে ।

আমাদের মস্তিষ্কে Dopamine নামক এক ধরনের হরমোন নিসৃত হয়, যা আমাদের যেকোনো কাজ করার জন্য ইচ্ছা শক্তিকে ভীষণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে । এই Dopamine হরমোনকে মস্তিষ্কের reward circuitry ও বলা হয় । ফেসবুকে থাকতে বা খেলতে আমাদের কি অলসতা অনুভব করি? না। ঘন্টার পর ঘন্টা একনাগারে খেলে চলি । কিন্তু বই পড়ার ব্যাপারে, তখন যেন ৫ মিনিটও ৫ ঘন্টার মত লাগে । তো এটা কেন হয় ?

আমরা যখন ফেসবুক করি বা চচ খেলি তখন আমাদের ব্রেনের reward circuitry এক্টিভ হয়ে যায় । কারন এগুলোতে প্রতি মূহুর্তে আমরা নতুন কিছু Experience করি । কিছু সমত পর পরই আমরা নতুন কিছু  reward পাই, যা আমাদের মস্তিষ্কে Dopamine হরমোনের নিঃসরণকে বাড়ীয়ে দেয় । যার ফলে আমরা ক্রমাগত একটা ভালো অনুভতি অনুভব করতে থাকি । এবং ধীরে ধীরে সেটার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি । ঠিক এই কারনেই পরীক্ষার আগে পড়তে বসতে আমাদের কোনো অসুবিধায় হয় না । কারণ, তখন আমাদের subconscious mind খুব ভালো ভাবেই জানে যে এখন পড়লে ভালো নাম্বার পাবো, আর না পড়লে ফেল, আর কোনো পথ নেই । যেটা আলটিমেটলি আমাদের reward circuitry কেই এক্টিভ করে দেয় ।

Comments

comments

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *