আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স কি এনং কেন ? বিস্তারিত আলোচনা

খ্যাতনামা বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং হলেও তিনি একটি যন্ত্রে সাহায্যে চলাফেরা বা কথা বলতে পারেন, সেটা আমরা সবাই জানি । কিন্তু তিনি যে পদ্ধতি বা টেকনোলজি ব্যবহার করছেন তা সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি । হ্যাঁ, আজকে আমরা সেই টেকনোলজি নিয়েই আলোচনা করবো । 

 

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সঃ

মানুষ যেভাবে চিন্তা ভাবনা করে কৃত্তিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে Artificial Intelligence বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়। অধিকাংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষক ও লেখকের মতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা হলো – “The study and design of intelligent agents, where an intelligent agent is a system that oerceives its environment and takes acrions that maximize its chances of success.” অর্থাৎ কম্পিউটার বিজ্ঞানের এই শাখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন এজেন্ট (Agent) কীভাবে তৈরি করা যায় তা সম্পর্কে কাজ করে। এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন এহপন্ট বলতে এমন একটি সিস্টেম বুঝায় যা চারপাশ প্রত্যক্ষ করে সর্বোচ্চ সাফল্য পাওয়ার জন্য যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা দরকার, সে অনুসারে তাহার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার গুলো একই সময়ে বহুবিধ কাজ অতিদ্রূততার সাথে সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু মানুষ একই সময়ে বিভিন্ন বিষয় চিন্তা করতে পারে না।Artificial Intelligence বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে মানব জাতির বুদ্ধিমত্তার মত কম্পিউটার আচরণ করতে পারে। কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মত চিন্তা করবে, কীভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কীভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে বিচক্ষণতার পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, কীভাবে সফলতার সহিত খেলাধুলা করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্যই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার উপর গবেষণা করা হচ্ছে। রোবট উপলব্ধি সম্পর্কিত, প্রাকৃতিকভাবে ভাষার প্রক্রিয়াকরণ, এক্সপার্ট সিস্টেম বা সুনিপুণ ব্যবস্থা, নিউরাল নেটওয়ার্ক, স্বপময় সত্যি বা ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি, ফাজি লজিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার বিশেষ ব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে। Artificial Intelligence বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের ব্যবহার করা হয়। যেমন- LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java ইত্যাদি।

 

 

 তবে উদ্দেশ্যে ও কার্যপ্রণালীর ভিত্তিতে এই ধরনের প্রোগ্রামকে কয়েকটি বিশেষ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান (Deduction and problem solving)

২. জ্ঞানের উপস্থান ( Knowledge representation)

৩. পরিকল্পনা (Planing)

৪. যন্ত্রের শিক্ষায় (Machine learning)

৫. স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ (Speech and pattern recognition) ইত্যাদি।

 

এই সম্পর্কিত আরো কিছু আর্টিকেল পড়ুনঃ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারেঃ স্টিফেন হকিং

 

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স প্রবর্তন ইস্টার্ন ব্যাংকের

 

 

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *