রোগ-ব্যাধিতে আমের ব্যবহার

আম তো আমরা সবাই খাই, তবে কতজন জানি আমের উপকারিতা। তাহলে আজকেই জেনে জিন রোগব্যাধিতে আমের ব্যবহারঃ

 

কাঁচা আমঃ নানাভাবে খাওয়া যায় যা-আচার,মোরাব্বা,জ্যাম,চাটনি,পানা। কাঁচা আম খেলে খিদে বাড়ে। স্কার্ভি রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পেট খারাপ হলে বা পাতলা পায়খানা হলে কাঁচা আম খেলে উপকার হয়।রোদে ঘুরে গরম লাগলে কাঁচা আমের পানা বেশি উপকারি ।

পাকা আমঃ পাকা আম সুস্বাদু,আরিতাও অনেক ।কালি পেটে কাঁচা আম খেলে কৃমিনাশ হয়।পাকা আম খিদে বাড়ায় ।শরীর সামগ্রিক পুষ্টি জোগায়।দুধের সজ্ঞে পাকা আম খেলে শরীর লাবন্য বজায় থাকে,দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখা যায়।আজকাল গাছপাকা আম সধজে পাওয়া যায়না।তাই বাজারে কেনা আম বেশ কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে তারপর খাওয়া ভালো।আমের পাতাও খুব উপকারি।কচি আমপাতা চিবিয়ে তা দিয়ে দাঁত মাজলে অকালে দাঁত নড়ে না বা পড়ে না।আগুনে পুড়ে গিয়ে ঘা হলে সেখানে আমপাতার পোড়া ছাই মিশিয়ে লাগালে পোড়া শুকিয়ে যায়।আমপাতার রস একটু গরম করে খেলে আমাশা সেরে যায়।

বেশি আম খেলে বিপদঃ পরিমত মাত্রায় আম খাওয়া উচিত। বেশি আম খেলে কোষ্ঠাকাঠিন্য,দৃষ্টি হ্রাস,বদজম ও জ্বর হতে পারে।তক আম বেশি খেলে পেট খারাপ হতে পারে।

 

   আমের প্রতি ১০০ গ্রামে আছে

 

 ক্রমিক  উপাদান  পরিমান
জলীয় অংশ ৭৮.৬
কায়লসিয়াম ১৬ মিঃ
মোট খনিজ ০.৪
লৌহ ১.৩
আশ ০.৭
ক্যারোটীন(মাইক্রোগ্রাম) ৮৩০০
খাদ্যশক্তি(কিলোক্যালরি) ৯০
ভিটামিন বি-১ ০.১
আমিষ ১.০
১০ ভিটামিন ০.০৭ মিঃ
১১ চর্বি ০.৭ ৪১ মিঃ
১২ ভিটামিন-“সি”
১৩ শর্করা ২০.০

 

আম থেকে সাবধানঃ দীর্ঘদিন আমাশা বা অর্শ থাকলে পাকা আম বেশি খাওয়াই ভালো তবে রসনা মেটাতে মাঝে মাঝে এক-আধখানা খাওয়া যতে পারে।

Comments

comments

Related posts

Leave a Comment