হৃদরোগী ও লিভারের রোগীদের পক্ষে লিচু খুব উপকারি

  লিচু শরীর ঠান্ডা রাখে।তৃষ্ণা মেটায় ও শিরীরের বাড়ায়। পরিমত লিচু খেলে শরীরের বায়ু,কফ ও পিত্ত নাশ হয়। অত্যাধিক ক্লান্তিতে বা দীর্ঘ রোগভোগের পর দূর্বলতায় প্রতিদিন চার-পাঁচটি লিচু সামান্য লবন মিশিয়ে খেলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। মস্তিস্কের দুর্বলতায়,স্মৃতিবিম্ভ্রম ঘটলে ভুলো-মন মানুষ জন দিনে আট-দশটি লিচু লবন দিয়ে মিশিয়ে খেলে স্মৃতি স্বাভাবিক হয়। হৃদরোগী ও লিভারের রোগীদের পক্ষে লিচু খুব উপকারি। মওশুমের সময় দু’বেলা চার-পাছটি করে লচু খেলে বয়স বাড়লেও শরীরে লাবন্য বজায় থাকে।                          লিচু প্রতি ১০০ গ্রামে আছে জলীয় অংশ ৮৪.১ ক্যালসিয়াম ১০ মিঃ মোট খনিজ ০.৫ লৌহ…

Read More

আমাশয় সহ নানা রোগ নিরাময়ে তরমুজের ব্যবহার

ফল হিসেবে আমরা সবাইতো তরমুজকে চিনি । কিন্তু তরমুজ যে রোগ ব্যধি ব্যবহার হয় তা কয়জনের জানা আছে । হ্যাঁ, বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো রোগ ব্যাধিতে তরমুজের ব্যবহারঃ তরমুজ রস মিষ্টি ,শীতগুণ সম্পন্ন শক্তিদায়ক।তরমুজ শরীর ঠান্ডা রাখে। অশান্তি দূর করে। শাস খেলে লিভারের উপকার হয়।পিলে কমায়।পেট পরিস্কার রাখে,হজম শক্তি বাড়ায়। পেটের অসুখ এবং আমাশায়ে তরমুজ বেশি উপকারী। আমাশার রোগী আদা জিরে ভাজা গুড়ো গোলমরিচ এবং লবন মিশিয়ে তরমুজ খেলে উপকার পাবেন। তরমুজ শরবত শরীর ঠান্ডা ও তাজা রাখে। নিয়মত মধু মিশিয়ে তরমুজ খাওয়া ভালো।তরমুজ রস খেলে শরীর লাবন্য বজায় থাকে…

Read More

রোগ-ব্যধিতে ডালিম বা বেদানার ব্যবহার

  ডালিম বা বেদানার রস বেশ সুস্বাদু,শরীরে বল বাড়ায়।বেদেনার রস মেধা বৃদ্ধি করে। বেদেনা তেষ্টা মেটায়,বায়ু পিত্ত কফ  নাশ করে ,শরীর ঠান্ডা রাখে।জ্বর হলে বেদেনা খাওয়া ভালো,শরীরের তাপ কমে। হৃদরোগীরা মাঝে মাঝে বেদেনা খেলে উপকার পাওয়া যাবে।ডালিম বেদেনার রসের সজ্ঞে একটু ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেলে হৃদরোগীদের শরীর ভালো থাকে । ডালিম গাছের ছাল সেদ্ধ করে সেই পানি খেলে আমাশা সেরে যায়।বার্লির সজ্ঞে ডালিম বা বেদেনার খোসা সেদ্ধ করেও সেই বার্লি খেলেও আমাশা সারে।                                  …

Read More

রোগ ব্যধিতে পেঁপে ব্যবহার

সবজি হিসেবে অনেকেই পেঁপে অপছন্দ করেন, তবে অনেকের অপছন্দ হলেও সত্যি যে পেঁপেতে রয়েছে অনেক উওপকারি উপদান । আসুন জেনে নেই রোগ ব্যধিতে পেঁপে ব্যবহারঃ পাকা পেঁপে কোষ্ঠ পরিস্কার করে ,বায়ু নাশ করে ,পাকা পেঁপে খিদে বাড়ায়  ,খাওয়া রুচি আসে খাবার হজম করতে সাহায্য করে।বধহজমের রোগীরা পেঁপে খেলে খুব উপকার মিলবে।পাকা পেঁপে অর্শরোগের পক্ষেও উপকারি। কাঁচা পেঁপের আঠা ও বীজ ক্রিমিনাশক,প্লীহা ও যকৃতের পক্ষে হিতকারি। কাঁচা পেঁপের আঠা চিনি বা বাতাসের সজ্ঞে মিশিয়ে খেলে অর্শ ও জন্ডিসশ লিভারের বিভিন্ন রোগ ভালো হয় ।প্রতিদিন সকালে কাঁচা পেপের ৫-৭ ফোঁটা আঠা বাতাসের…

Read More

জেনে নিন রোগ-ব্যধিতে নাসপতির ব্যবহার

  ১। হার্টের রোগীদের পক্ষে নাসপতি খুব উপকারি।মাঝে মাঝে দু-চার টুকরো নাসপতি খেলে হার্টের অসুখকে দূরে রাখা যায়। ২। খুব  ক্লান্তি ও দূর্বল বোধ হলে দুবেলা কয়েক টুকরো নাসপতি খেলে সপ্তাহখানিকের মধ্যে উপকার পাওয়া যায়। ৩। প্রতিদিন সকাল ও বিকালে দু-চার টুকরো মিষ্টি নাসপতি খেলে মূর্চ্ছা রোগ সেরে যায়। ৪। দূর্বল বাচ্ছারা  অপুষ্টিতে ভূগলে প্রতিদিন  একটি করে নাসপতি খাওয়াতে পারলে একমাসের মধ্যেই দূর্বলতা কাটবে,শরীরের যতেষ্ট উন্নতি হবে। ৫। নাসপতি কোষ্টাকাঠিন্য দূর করে। নানান কারনে কোষ্টকাঠিন্য হইতে পারে।বিকেলে কয়েক টুকরো করে নাসপতি কয়েকদিন খেলে কোষ্টকাঠিন্য থকে মুক্তি পাওয়া যায়। ৬,নাসপতি খেলে…

Read More

জেনে নিন কাঁঠালের গুণাগুণ

কাঁঠাল আমাদের অতিপরিচিত একটি গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল । এর ইংরেজী নাম হচ্ছে –  jackfruit এবং বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে –  Artocarpus heterophyllus ।  গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এই ফলের গাছ জন্মে । কাঁঠাল গাছ দেখতে বৃহদাকার এবং এর গাছে বছরে গড়ে ১০০-২০০ টি ফল জন্মে । বলা হয়ে থাকে – কাঁঠাল গাছের কোন কিছু ফালানোর মত না । কাঁঠালের ফল খাওয়ার সাথে সাথে এর বিচি রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় । এর খোসা/ছোকলা গুরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয় । তাছাড়া কাঁঠালের পাতা ছাগলের খুব প্রিয় খাদ্য ।      …

Read More

জাম্বুরা বা বাতাবিলেবু খাবেন কেন?

১.বাতাবিলেবু পুষ্টিকারক, বলদায়ী ও সুস্বাদু।দুর্বল বাচ্ছাদের নিয়মত বাতাবিলেবু খাওয়ালে দুর্বলতা কাটে।দীর্ঘ রোগভোগের পর রোগি দুর্বল হয়ে পড়লেও পাকা বাতাবিলেবু খাওয়ানো হয়।জন্ডিস রোগীদের ক্ষেত্রে বাতাবিলেবু খুবই উপকার। ২.ভিটামিন-সি এর অভাবপূরণেও বাতাবিলেবু কাজে লাগে।বাতাবিলেবু শরীরে লাবন্য বজায় রাখে। ৩.যকৃৎ দূর্বল হয়ে পড়লে প্রতিদিন সকালে এককাপ ঠান্ডা পানিতে বাতাবিলেবুর দানা ভিজিয়ে রেখে ঘন্টাখানিক পরে সেই দানা ও পানি খেলে মাসখানিকের মধ্যে উপকার পাওয়া যায়। ৪.মাসিকের পর মায়েরা খুব দুর্বল হয়ে পড়েন।এই দূর্বলতা কাটিয়ে উঠতে বাতাবিলেবু খুব সাহায্য করে।প্রতিদিন বিকেলে বাতাবিলেবু রস খেলে একমাসের মধ্যেই উপকার পাওয়া যায়। যতটা ভালো লাগে খাওয়া যায়ঃ প্রকৃতিতে…

Read More

রোগ-ব্যধিতে পাতিলেবুর ব্যবহার

  ১.নিয়মত পাতিলেবু খেলে হজমশক্তি বাড়ে। পাতিলেবু খিদে বাড়ায়,শরীর ঠান্ডা রাখে,বমিভাব দূর করে।পাতিলেবুর শরবত তেষ্টা মেটায়,ক্লান্তি দূর করে। ২.পেটের অসুখ ও কাশি সারায়।শরীরে জমে থাকা ইউরিক এসিড কমায় । ৩.ছোটদের নিয়মত পাতিলেবু খাওয়ালে স্কার্ভি রোগ হয় না।স্কার্ভি রোগীদের প্রতিদিন দু-চামুচ পাতিলেবুর রস পানি ও চিনিসহ খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।পাতিলেবুর রস খেলে কৃমি রোগ সারে। ৪.পাতিলেবুর শরবত খেলে ঘন ঘন প্রস্রাবের অভ্যাস কেটে যায়। ৫.পাতিলেবুর রস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন কুলকুচি করলে দাঁত ও মাড়ি ভালো থাকে।মাথায় পাতিলেবুর রস মাখলে উকুন-খুশকি দূর করা যায়। পাতিলেবুর প্রতিদিন একটার বেশি নয়ঃ পাতিলেবুতে এসিড থাকে,তাই…

Read More

নারিকেলের ব্যবহার

নারিকেল অত্যন্ত পরিচিত একটি ফল । নারিকেল গাছ  আকারে অনেক লম্বা হয়, এরা বিরাট উচু হয়ে থাকে । এদের কোন পার্শ্ব শাখা থাকে না । কচি নারিকেলকে ডাব বলা হয়ে থাকে । নারিকেলের অনেক ব্যবহার প্রচলিত আমাদের সমাজে । আমরা নারিকেলের তেল ব্যবহার করি, নারিকেলের আঁশ/ছোবড়া দিয়ে জাজিম সহ বিভিন্ন জিনিস পত্র বানানো হয় । নারিকেলে থাকে প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট,ফ্যাট আর ভিটামিন-এ, একটি নারিকেল শরীরের স্বাভাবিক পুষ্টি জোগায়।১০০ গ্রাম কচি নারিকেল থেকে আমাদের শরীর পায় ৪১ ক্যালরি। আর ১০০ গ্রাম শুকনো নারিকেল থেকে মেলে ৬৬২ ক্যালরি। সাধারন ব্যবহার ১,ডাবের পানি…

Read More

রোগ ব্যধিতে জামের ব্যবহার

আমরা অনেকেই আছি ফল খেতে ভালবাসি । অনেকেই অনেক ধরনের ফল খেতে ভালবাসেন । আর আপনার এই ভালবাসার মধ্যে যদি জাম থাকে, তাহলে জেনে নিন জামের মধ্যে আছে অনেক উপকার । গ্রীষ্মকালীন এই ফল ছোট-বড় সব বয়সের লোকের পছন্দ । জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষের দিকে এই ফল বাজারে পাওয়া জায় আজকে আমরা জামের উপকারিতা এবং রোগ ব্যধিতে এর ব্যবহার সম্পর্কে জানবো ১। রক্ত পরিস্কার করে পাক কালোজাম যেমন রক্ত পরিস্কার করে ,তেমনি খাদ্য হজমকরতে সাহায্য করে। জাম খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে ,ক্লান্তি দূর হয়। ২। খাদ্য হজমকরতে সাহায্য করে খাদ্য হজমে…

Read More

রোগ-ব্যধিতে খেজুরের ব্যবহার

১.পেটের অসুখে ভুগতে থাকলে মিষ্টির বদলে খেজুর খাওয়া ভালো।তাতে শরীরের ক্ষয় পূরুন হয়। ২.ডায়বেটিস রোগীর খেজুরের সিরাপ খেলে উপকার পাবেন।এক গ্লাস পানিতে দুটো খেজুর সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেজুরসহ সেই পানি খেতে হবে।তাবের রোগীরাও এ পানি  খেলে উপকার পাবেন। ৩.দীর্ঘদিন রোগভাগে শরীর দুর্বল হয়ে পড়লে বা দূর্বল বাচ্ছাদের খেজুরের সিরেয়াপ খাওয়ালে শরীরে বল পাওয়া যায়। এক গ্লাস পরিস্কার পানি দু-তিনটে খেজুর ভিজিয়ে রেখে পরে চটকে নিলেই খেজুরের সিরাপ খেতে হবে।মদ খেয়ে কেউ মাতলামি করলে খেজুরের সিরাপ খাওয়ালেই নেশা কমে যায়। প্রতিদিন খাব,অল্প খাবঃ যে কেও প্রতিদিন দু-চারটে করে খেজুরের সিরাপ…

Read More

রোগ-ব্যাধিতে কলার ব্যবহার

১। ডায়াবেটিস রোগে অস্বাভাবিক খিদের উপ্সর্গ হলে পাকা কলা দিয়ে মেটানো যায়। ২। যক্ষা রোগীদের একটানা জ্বর থাকলে পাকা কলা খাওয়ানো যেতে পারে। ৩। পাকা কলা মোমবাতির আগুনে অল্প গরম করে নিয়ে একটু গোলমরিচের গুঁড়ো ছড়িয়ে খেলে হাঁপানি রোগীদের উপকার মিলবে। ৪। পেটের পুরানো ব্যাথায় বা মহিলাদের বিভিন্ন রোগের উপশমে পাকা কলা খাওয়া যেতে পারে। ৫। সকালে খালিপেটে কলাগাছের শিকড়ের রস এক চামচ করে কদিন খেলে পেটের কেঁচো কৃমি বেরিয়ে যায়। ৬। পাকা বিচিকলা চটকে অল্প পানিতে মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেই সকালে ও বিকালে দু”চামচ করে খেলে শুকনো কাশি সেরে…

Read More

জেনে নিন কাঁচা হলুদের কিছু কার্যকরী ব্যবহার

১.মচকে গেলেঃ দেহের কোন অংশ মচকে গেল ১ ভাগ লবন ২ ভাগচুন আর ৪ ভাগ হলুদ বাটা একত্র ভালো করে মিশিয়ে গরম করে ব্যাথার জায়গায় লাগাতে হবে ২/৩দিন। ২।লিভারের দোষেঃ ১ চানচ হলুদের রস(বাচ্ছাদের জন্য ৫/৬ ফোঁটা) সামান্য চিনি অথবা মধুসহ খেতে হবে ৩। ৩.তোতলামিতেঃ তাড়াতাড়ি কথা বলার জন্য তোতলামি দেখা দিলে কাঁচা হলুদ শুকি৮য়ে গুড়ো করে ১ ঘিয়ে ভেজে খেতে হবে সারাদিনে ২/৩ বার। ৪।ক্রিমিঃ বয়সের তারতম্য অনুযায়ী ১৫/২০ ফোঁটা কাঁচা হলুদের রস ছেকে নিয়ে তাতে অল্প লবণ মিশিয়ে সকালে খালিপেটে খেতে হবে ৭ দিন। ৫।মুখে লাবন্যে জন্যঃ কাঁচা…

Read More

আর নয় মূলোকে অপছন্দ করা জেনে নিন মূলোর কত গুণ

মূলোকে অনেকে মনে করে সস্থা একটি তরকারি। তাইবলে এটি কিন্তূ মোটেও গুরুত্বহীন নুয়।এর গুনের কথা বিবেচনা করলে আপনারা আপনাদের মনের ধারাণাকে অবশ্যই ঝেড়ে ফেলে দিবেন।এই মূলোর অনেক রোগের সারাবার ক্ষমতা রাখে।এটি একটি শীকালীন সবজি।অবশ্য শীতের আগেও একে বাজারে দেখা যায়। মাটীর নীচে থাকা স্ফীত মূল বা শিকড়কে আমরা মূলো হিসাবেই চিনি এবং খ্যে থাকি।এটি জমি থেকে তুলতে একটু দেড়ি হলে ভেতরে আঁশ জিণ্মে যায় এই মূলো খেলে অএটে বায়ু হয়,কচি মূলো বেশী উপকারী।এর জন্য মাঘ মাসেই মূলো খাওয়ার ভালো সময় বলা যায়।একে বিজ্ঞহানীরা বলেন-র‍্যাফানাস স্যাটাইভাস। পুষ্টি তালিকাঃ-প্রতি ১০০ গ্রাম মূলোতে…

Read More

জেনে নিন এলাচের উপকারিতা

১. ছোট এলাচ,খেজুর আর আঙ্গুর একসাথে পিষে মধু মিশিয়ে চাটলে কাসি ও হাপানি আর দূর্বলতা দূর হয়। ২.এক বা দুই গ্রাম এলাচ চূর্ণ কিংবা এলাচের তেল পাছ ফোঁটা ডালিমের শরবতের সাথে মিশিয়ে খয়ালে বমি বমি ভাব কমে যাবে। ৩.কসাসুদ্ধ এলাচ পুড়িয়ে নিয়ে দুই গ্রাম সেই ভম্ম বা ছাই মধু মিশিয়ে বার বার চাটলে কফের জন্য যে বমি তা বন্ধ হয়ে যায়। ৪.দুই গ্রাম এলাচের দানার চূর্ণ আর তাওয়ায় সেকে হিং এক গ্রাম একটু লেবেউর রস মিশিয়ে খাওয়ালে পেটের বায়ু,পেটব্যথা এবং গ্যাসের উপশ্ম হয়। ৫.এলাচের দানা আর সমপ্রিমানে নিয়ে ঘিয়ে মিশিয়ে…

Read More

জেনে নিন রোগ ব্যাধিতে আনারসের ব্যবহার

১,আনারশ উপকারী ফল। প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে।এই ভিটামিনে অভাবে যে-সব রোগ হয়,তা উপশমে আনারশ কাজে লাগে।কেটে এবং রস করে দু’ভাবেই খাওয়া যায়। আনারশ খিদে বাড়ায়,খাওয়ার রুচি আনে।শরীর ঠান্ডা রাখে। ২,অজীর্ণ রোগে এবং কৃমি উপদ্রপে আনারশ পাতার রস খেলে উপকার হয়। ৩,সর্দিগর্মিতে কাশি হলে কয়েক টুকরো আনারশ খেলে উপকার পাওয়া যায়। লবন ও গোলমরিচ গুড়ো মিশিয়ে  পাকা আনারশের রস খাওয়ালে পেট ফাঁপা কমে যায়। মওশুমি ফল আনারসঃ বছরে মাত্র দু-তিন  মাস পাওয়া যায় বলে ঐ সময়টুকুতে যেকেউ খেতে পারে।আনারসে খাওয়া তেমন কোন বাধা নেই। বরং যেটকোনো অসুস্থতায় মুখে অরুচিভাব এলে।কয়েক টুকরো আনারস…

Read More

রোগ-ব্যাধিতে আমের ব্যবহার

আম তো আমরা সবাই খাই, তবে কতজন জানি আমের উপকারিতা। তাহলে আজকেই জেনে জিন রোগব্যাধিতে আমের ব্যবহারঃ   কাঁচা আমঃ নানাভাবে খাওয়া যায় যা-আচার,মোরাব্বা,জ্যাম,চাটনি,পানা। কাঁচা আম খেলে খিদে বাড়ে। স্কার্ভি রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পেট খারাপ হলে বা পাতলা পায়খানা হলে কাঁচা আম খেলে উপকার হয়।রোদে ঘুরে গরম লাগলে কাঁচা আমের পানা বেশি উপকারি । পাকা আমঃ পাকা আম সুস্বাদু,আরিতাও অনেক ।কালি পেটে কাঁচা আম খেলে কৃমিনাশ হয়।পাকা আম খিদে বাড়ায় ।শরীর সামগ্রিক পুষ্টি জোগায়।দুধের সজ্ঞে পাকা আম খেলে শরীর লাবন্য বজায় থাকে,দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখা যায়।আজকাল গাছপাকা…

Read More

বেশি বেশি চা খেলে যে সমস্যা হতে পারে

১। হজমশক্তি কমে যায় ২। চা বেশি খেলে শরীর দূর্বল হয়ে যায় এবং যিনি চা  বেশি পান করেন তিনি সাধারনত রোগা হয়ে যান ৩। নিদ্রা কমে যায়, বীর্য পাতলা হয়ে যায় ৪। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দেখা দেয়, ও রক্তচাপ (ব্লাডপেসার) বেড়ে যায় ৫। হৃদক্রিয়া অনিয়মিত হয়ে যায়। ৬। সহ্যশক্তি বা সহনশীলতাকমে যায় অর্থাৎ স্বভাব খিটখিটে হয়ে যায় ৭। বুকে ব্যথা ও দোষ দেখা দেয় যাদের হজমশক্তি কম বা খিদে ঠিকমত হয় না তাদের বেশি চা খাও্যা উচিত নয়। অনিদ্রা রোগীদেরও চা বেশি খাওয়া ঠিক না।

Read More